গুলশান ২

Modern city street with tall buildings.
এলাকা সম্পর্কে

গুলশান সম্পর্কে 

নান্দনিক,অভিজাত, প্রাচুর্যতায় ভরা ঢাকায় এমন কোন এলাকার নাম বলতে হলে আপনাকে গুলশান ২ এর নাম বলতেই হবে। এর একটি অংশ সংযুক্ত করেছে বনানীকে আর অন্য অংশে রয়েছে বারিধারা। এই এলাকায়ল অগণিত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, রেস্টুরেন্ট,আর দোকানপাটে ভরপুর। বাংলাদেশের অধিকাংশ দূতাবাসের দেখা মিলবে এই গুলশান ২ তেই।  কঠোর নিরাপত্তায় বেষ্টিত আর উন্নত নাগরিক সুবিধায় সমুন্নত হওয়ায় এই এলাকায় বসবাস করতে চান শহরের রুচিশীল সব মানুষ। আবাসিক এলাকা হিসেবে আদর্শ এই জায়গায় বাড়ি ভাড়া আপনার সাধ্যের মধ্যে হলে লোভ সংবরণ করা বড়ই কঠিন।

গুলশান ২-এ প্রপার্টি

একসময় চমৎকার আবাসিক এলাকা হলেও বাণিজ্যিক গুরুত্ব বিবেচনায় এখন গুলশান ২ রূপ নিয়েছে ঢাকা শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে। ছোট বড় অনেক প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় দেখা মিলবে এখানে। রাস্তার দুইপাশে নান্দনিক সব ডিজাইনের বাড়ি হয়তো ঢাকার অন্য এলাকার থেকে একটু বেশিই দেখা যায় গুলশানে। তাই প্রোপার্টি চাহিদারও শীর্ষে রয়েছে এই এলাকা।

যাতায়াত ব্যবস্থা 

যাতায়াত ব্যাবস্থাও সমুন্নত গুলশান ২। ঢাকা চাকা বাস সার্ভিসটি গুলশানকে চমৎকার ভাবে নগরের অন্য এলাকার সাথে সংযুক্ত করে রেখেছে। ব্যাক্তিগত যানবাহনের চাপ গুলশানে বরাবরই বেশি তাছাড়া রাইড শেয়ারিং সার্ভিসও ব্যপক জনপ্রিয় এখানে। সিএনজি আত রিকশায় সহজে পুরো এলাকা চষে বেড়ানো সম্ভব।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান 

শিক্ষার সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করতে গুলশান ২ এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাব নেই। স্কলাস্টিকা থেকে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ সব ধরনের উন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেখা মিলবে এখানে।

চিকিৎসা সুবিধা 

আধুনিক ও মানসম্মত চিকিৎসার জন্য গুলশান ২ এ রয়েছে বেশ কয়েকটি ক্লিনিক ও মেডিকেল সেন্টার। প্রতিষ্ঠান গুলো সুনামেত সাথে তাদের সেবা দিয়ে আসছে। ল্যাব এইড ও ইউনাইটেডের মতো উল্লেখযোগ্য চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান তো আছেই সাথে ফার্মেসির অভাব নেই আশেপাশে।

চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা 

সকাল কিংবা বিকেলে গুলশানে হেটে বেড়ানো কিংবা শরীরচর্চা কেন্দ্রের কমতি নেই কোথাও। খেলার মাঠ,বাস্কেটবল,জগিং ট্রাক উন্নত বিশ্বের সকল খেলাধুলা বিনোদনের জায়গা পাওয়া যাবে এখানে। গুলশান লেক পার্কে সন্ধাকালীন আড্ডার জন্য উৎকৃষ্ট একটা স্থান।

মসজিদ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদের মতো নান্দনিক স্থাপনার বেশ কয়েকটি মসজিদ আছে। গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদ তার অন্যতম।তাই ধর্মপ্রাণ মুসল্লীদের বেশ সমাগম দেখা যায় গুলশানে।

আশেপাশের এলাকা 

গুলশান ২ মূলত ২ টি অংশে বিভক্ত। পূর্বাংশে সংযুক্ত হয়েছে বারীধারা আর পশ্চিমে অবস্থিত বনানী। ঢাকার প্রতিটি এলাকার সাথে এখানকার সংযোগ অত্যন্ত দারুণ।

খাবার রেস্টুরেন্ট

শুধু দেশীয় খাবার নয় বিদেশি খাবারের জন্যেও গুলশান ২ এর মতো উৎকৃষ্ট জায়গার জুড়ি মেলা ভার। জাপানিজ থেকে মেক্সিকান সব ফুড আইটেমের রেস্টুরেন্ট আছে এখানে। ওয়েস্টিন, পেয়ালা, ইযুমি, কোর্টইয়ার্ড বাজার এমন অনেক স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে ভরপুর গুলশান। বিলাসবহুল আত আভিজাত্যে গুলশান ২ এর রেস্টুরেন্ট গুলোর প্রতিদ্বন্দ্বী সহজে পাওয়া যায় না।

কেনাকাটা 

শপিংয়ের কথা বললে ডিসিসি মার্কেট,ইউনিমার্ট,এয়েট মার্কেটের মতো রুচিশীল প্রতিষ্ঠানের নাম আসবে সবার আগে। এখানে আন্তজার্তিক মানের সব পণ্যে কেনাকাটা জমে ওঠে ভরপুর। এছাড়া বিখ্যাত সব ব্রান্ডের শপ তো আছেই। তাছাড়া প্রয়োজনীয় যেকোন কিছু ডিপার্টমেন্টাল স্টোত গুলোতে খুব সহজেই পাওয়া যায়।

Compare listings

Compare